রবিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৩

মেয়েটার জন্য

নিশি কেমন একটু ইতস্তঃ করতে লাগলো । আসলে আমার প্রস্তাবটা ঠিক মেনে নিতে পারছে আবার ঠিক ফিরিয়েও দিতে পারছে না । লিয়া ফোনে কার সাথে যেন কথা বলছিল, কথা শেষ করে নিশিকে বলল
-কি হল ? অপু আসবে তোর সাথে ?
নিশি চট করে একবার আমার দিকে তাকালো ! তারপর লিয়ার দিকে !
লিয়া বলল
-দেখ, বাইরের পরিস্থিতি কিন্তু ভাল না । তোকে একা ছাড়তে ঠিক মন চাইছে না । আর অপু যেহেতু ঐ দিকেই যাচ্ছে তোর সাথে যাক ! 
আমার মনে খানিকটা সন্দেহ দেখা দিল যে নিশি এখনই বলবে থাক আমি একাই যেতে পারবো ! কিন্তু আমি সেই সুযোগ কেন দিবো ওকে ! আমি বলল
-একটু আগে শাহবাগে পুলিশের সাথে অবরোধ কারীদের একটা সংঘর্ষ হয়েছে ! মিরপুর যাওয়ার পথে আরো এরকম বেশ কয়েকটা পয়েন্ট আছে আছে যেখানে ঝামেলা হতে পারে । 
লিয়া বলল
-আরে হ্যা ! বিপদের কথা তো বলা যায় না । তুই অপুর সাথে যা ! 
এই বার ইমোশনালী ব্ল্যাকমেইলের পালা !! আমি বললাম
-আচ্ছা আমার সাথে যদি নিশির রিক্সায় চড়তে অসুবিধা হয় তাহলে আমি বরং না যাই ! আমি ওর পেছন পেছন রিক্সা নিয়ে আসছি ! ঠিক আছে !
আমি জানতাম নিশি এবার কিছু বলবে ! নিশি বলল
-না মানে অসুবিধা কেন থাকবে ? আসো সমস্যা নাই ! একসাথেই যাই ! 
লিয়া কে রেখেই রিক্সায় উঠলাম । 
লিয়া বলল
-সাবধানে যাস ! আর অপু, মারামারি দেখে নিশিকে ছেড়ে পালিয়ে যেও না যেন !! মেয়েরা কিন্তু এই টাইপের ছেলে একটুও পছন্দ করে না । 
আমি কেবল হাসলাম । আমি ঠিকই জানি লিয়া কিসের ইংগিত দিল !!!
রিক্সা চলতে শুরু করলো !
জীবনের এই প্রথম কোন রাজনৈতিক দলকে একটা প্রাণ ঢালা অভিনন্দন জানাতে ইচ্ছা করছে । আজকে যদি অবরোধ না হতে নিশির সাথে কি রিক্সায় চড়টে পারতাম ??
অবরোধ কারী জিন্দাবাদ !!

ভার্সিটিতে একটা ক্লাস হওয়ার কথা ছিল । যদিও জানতাম হবে না কিন্তু আসতে হল । আসতে হল নিশির জন্যই । যদি মেয়েটা আসে ? ওকে না দেখলে কেমন জানি লাগে বুকের ভিতর ! বিশেষ করে ওর গোলাপী ঠোটের হাসি ! 
একবার অবশ্য মনে হয়েছিল যে নিশিও বোধ হয় আসবে না । কারন মিরপুর থেকে এতোদুর একটা মেয়ের পক্ষে আসা টা একটু কষ্টকর । কিন্তু দেখলাম নিশি এসেছে আগেই । মনে হয় ভার্সিটির বাসে । মনটা ভরে গেল আনন্দে ! যাক আজকের দিনটা্তে মেয়েটাকে আরো কিছুক্ষন মেয়েটাকে দেখতে পাবো ! 
কিন্তু ভাগ্য এতো ভাল হবে কে জানতো । ক্লাস হল না । ১১ টার ভিতরেই ডিপার্টমেন্ট ফাকা ! আমি বসে আছি নিশির জন্য ! নিশি বসে আছে কার জন্য কে জানে । 
এমন সময় লিয়া আর নিশিকে আসতে দেখলাম । নিশির খুব বেশি কথা না বললেও লিয়ার সাথে আমার সম্পর্ক ভাল । আমার কাছে এসে লিয়া বলল
-এখন কি বিপদের পড়লাম বলত ? 
আমি বললাম
-কেন ? কি হল ?
-আরে মিরপুরের একটা বাসও নাই । নিশি কিভাবে বাসায় যাবে বল ? আমি ওকে বললাম আসতে হবে না ! তবুও মাত্তব্বারী করে আসছে ! এই দিনে কখনও ক্লাস হয় !!
আমি ঠিক এমন একটা সুযোগ খুজছিলাম । বললাম
-নিশি কি মিরপুর যাবা ? আমার একটু তালতলায় কাজ ছিল ! একসাথে চল তাহলে !!
লিয়া বলল
-পারফেক্ট ! তোকে একা ছাড়তে সাহস হচ্ছিল না । অপু থাকলে সমস্যা নাই । তুই অপুর সাথে চলে যা !! ও সাথে থাকলে আমি নিজেই নিশ্চিন্তে থাকতে পারবো !!
নিশি চট করে আমার দিকে তকবার তাকাল ! 

রাস্তা বেশ ফাকাই ! অন্যান্য দিন এই ইংলিশ রোডটা পার হতে কম করেও ৩০ মিনিট লাগে ! কিন্তু আজকে পাঁচ মিনিটও লাগলো না ! এর কোন মানে আছে ! আর আজকে রিক্সায়ালাও যেন একটু জোরেই চালাচ্ছে !!
আমি রিক্সায়ালা কে বললাম 
-মামা এতো তাড়াহুড়া কেন করছেন ? একটি ধীরে চালান । 
রিক্সায়ালা বলল
-মামা রাস্তা ঘাটের অবস্থা তো ভালা না । জলদি জলদি যাওয়াই ভালা !

নিশি কিছুই বলছে না । চুপ করে অন্যদিকে তাকিয়ে আছে । যেন আমি এখানেই নেই ই !! 
আবার কানে হেডফোন লাগিয়ে গাল শুনছে ! 
আচ্ছা আমার দিকে কি একটু তাকানও যায় না ? মানলাম আমরা ভাল বন্ধু না কিন্তু ক্লাসমেট তো । প্রায় দুই আড়াই বছর আমরা একসাথে পড়াশুনে করছি ! তার উপর নিশি খুব ভাল করেই জানে যে আমি ওকে অনেক পছন্দ করি । ইনফ্যাক্ট আমি ওকে একবার প্রোপোজও করেছিলাম । 
আর নিশি এমন ভাবে বসে আছে যেন আমার গায়ে সাথে কোন রকম স্পর্শ না লাগে । কিন্তু রিক্সা একটু ঝাকি খেলেই নিশির সাথে আমা ধাক্কা লাগছে !! আমি জানি নিশির অস্বস্থি লাগছে ! আমার একটু ভালই লাগছে !! 
আমি ভেবেছিলাম নিশি হয়তো মিরপুর পর্যন্ত এই ভাবেই থাকবে । আমার সাথে একটা কথাও বলবে না । কিন্তু গুলিষ্টান পার হতেই নিশি হেড ফোন নামিয়ে রাখলো !
তারপর আমাকে অবাক করে দিয়ে বলল
-তোমার তালতলায় কোন কাজ নাই, তাই না ?
আরে এই মেয়েটা কিভাবে বুঝে ফেলল কিভাবে ? আমার কিন্তু আসলেই তালতলায় কোন কাজ নাই ! আমি কেবল নিশির সাথে একসাথে রিক্সায় চড়ার জন্যই কথাটা বলেছিলাম । 
আমি কিছু বলতে যাবো নিশি আবার বলল
-মিথ্যা কথা বলবা না ! সত্যি কথা বল !
আমি বললাম
-সত্যি বললে রিক্সা থেকে নামিয়ে দেবে না তো ! 
নিশি কিছুটা সময় আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল
-না ! দেব না ! 
আমি একটু হসেস বললাম
-না ! আমার কোন কাজ নাই !
-কেন ? জানতে পারি ? 
-দেখ রাস্তার অবস্থা কিন্তু আসলেই ভাল না ! তোমাকে একা ছাড়তে যেমন লিয়া ভাল লাগছিল না, আমারও ইচ্ছা করছিল না তোমাকে একা ছাড়তে । 
-তাই ? আচ্ছা মনে কর এখান মারা বাধলো ! তুমি কি করবা ? আমাকে বাঁচাতে তাদের সাথে গিয়া ফাইট করবা ? সিনামার নায়কের মত ?
আমার মনে হল নিশির যেন খানিকটা আমাকে উপহাস করছে ! 
আশ্চর্য এই মেয়েটা আগে আমার দিকে ঠিক মত তাকিয়ে থাকতে পারতো না, সেই মেয়েটা আজ কত কঠিন কথা বলছে । আমি বললাম
-সিনেমার নায়ক দের মত হয়তো মারামারি করতে পারবো না কিন্তু তোমার দিকে আসা প্রত্যেকটা লাঠির কিংবা ইটের আঘাত নিজের শরীরে লাগাতে পারবো !! তোমার পর্যন্ত আসবে না ! 
নিশি মনে হয় এটা শোনার জন্য ঠিক প্রস্তুত ছিল না । আমার দিকে তাকিয়েই রইলো কিছুক্ষন । আমি বললাম
-অবশ্য তোমার সাথে রিক্সায় চড়ার সুযোগটাও আমি ছাড়তে চাই নি । যদিও তোমার মনে হচ্ছে যে আমার গা দিয়ে মনে হয় গন্ধ বের হচ্ছে !!
-মানে ?
না মানে ! যে ভাবে বসেছ আছো ! মনে হচ্ছে আমার গায়ের সাথে একটু স্পর্শ লাগলে তোমার যেন কি না কি হয়ে যাবে !
এই কথা শুনে নিশি একটু হাসলো !!

হায়রে !!
বুকের ভিতর কি যেন হাহাকার উঠল !! এই ঠোটের হাসি দেখার জন্য নির্দ্বিধায় গাড়ীর সামনে লাফ দেওয়া যায় !!

আমি বললাম
-আরো একটা কারন অবশ্য আছে ?
-কি ? 
-তোমার হাসি আর তোমার চোখ ! তুম যখন হাসো না তোমার চোখ কেমন একটা দ্যুতি ছড়ায় !!
-আচ্ছা !! কিন্তু আমার যত দুর মনে পড়ে তুমি তো আমার ঠোট দুটি বেশি পছন্দ করতে !!

ঠোঁট ?!!!??!??!
আমি খানিকটা লজ্জা পেয়ে গেলাম । 
আমা রপ্রথম দিককার কথা মনে পড়ে গেল ! যখন নিশিকে প্রথম ভাল লেগেছিল । সত্যি বলতে কি নিশির সব কিছুই আমার পছন্দ ছিল কিন্তু সব থেকে পছন্দের ছিল তার ঠিঁট দুটো ! গোলাপী জেলির মত ! 
মনে হত .......!!
কেবল মনে হত ......!!
থাক আর বললাম না কি মনে হত !! 

মেয়েটার জন্য সত্যি সত্যিই চোখে ঘুম নষ্ট হল । ঠিক করলাম যে আর না !! এবর কিছু করতেই হবে ! মানে প্রপোজ করতে হবে !!
কিছু করতে হবে এই লাইনের আবার ভিন্ন অর্থ বের করবেন না ! 
মনে হল যে একটু ভিন্ন ভাবে প্রপোজ করি । সত্যি সত্যি একদিন ওর সামনে গিয়ে হাজির হলাম ! তারপর ওকে ডাকদিলাম !
-নিশি !!
আগে নিশি সব সময় একটু সংকুচিত হয়ে থাকতো ! আগে ঢাকার বাইরে থাকতো তাই ঢাকার পরিবেশের সাথে তখনও ঠিক তাল মিলিয়ে উঠতে পারে নাই !
নিশি খানিকটা ইতস্তঃ করে আমার দিকে এগিয়ে আসল ! বলল
-বলেন ?
আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম ।
-বলেন ? ক্লাস মেট দের কে কেউ আপনি করে বলে !!
নিশি কিছু না বলে চুপ করেই রইলো !
আমি বললাম
-তোমার ঠোঁট দুটো আমার খুব পছন্দ ! তোমার ঠোটে একটা চুম খেতে চাই । 
আমার কথা শুনে নিশি চমকে উঠলো ! 
আমি আবার বললাম
-কিন্তু এইভাবে তো চুমো খাওয়া যায় না ! আমি ঠিক করেছি আগে তোমাকে বিয়ে করবো ! বিয়ের পর তোমাকে চুম খাবো !!
এবার নিশির বিশ্ময় যেন আর একধাপ বেড়ে গেল । আসলে নিশির ধারনাই ছিল না য কেউ ওর সাথে এমন ভাবে কথা বলতে পারে । 
আমি আবার বললমা
-সমস্যা আছে ! এখন তো আবার বিয়েও করা যাবে না । প্রেম অবশ্য করা যায় ! কি বল তুমি ! আমি তোমাকে অফিসিয়ালী প্রপোজ করছি ! কি বল তুমি ? প্রেম করবে আমার সাথে ? 
এবার দেখলাম নিশির চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে এল ! 
আমি বললাম
-আরে আরে কান্নার কি হল ? আমার প্রপোজাল ফিরিয়ে দেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে তোমার ! এখনও না বলতে পরো ! আমি কেবল আমার মনে কথা টুকু তোমার কাছে বললাম ! 
নিশি আর দাড়ালো না ! চলে গেল ! 

-কি হল কি ভাবছো ? 
রিক্সা ততক্ষনে শাহবাগে চলে এসেছে !! 
সামনেই আমাদের কে একটা একটা পুলিশ দাড় করালো ! আমাদের কে বলল
-আপনারা কোথায় যাবেন ?
আমি বললাম
-মিরপুরের দিকে !
-মিরপুর রোড ঘুরে যেতে হবে ? বাংলা মোটরের দিকে একটু ঝামেলা হচ্ছে । রিক্সা নিয়ে যাওয়া যাবে না !!
নিশি বলল
-এতো ঘুরে যেতে হবে ?
পুলিশ বলল
-কিছু করার নেই ম্যাডাম ! এই দিক দিয়ে আমরা যাওয়া যাবে না !
আমি বললাম
সমস্যা নাই ! আমরা ঘুরেই যাচ্ছি !!
আসলে আমার মজাই লাগছিল । যতই ঘুরে যাবো ততই আমি নিশির সাথে বেশিক্ষন এক রিক্সায় থাকতে পারবো !! এর থেকে আনন্দের কি হতে পারে ?? 

সাইম্সল্যাবের কাছে এসে দেখলাম নিশি আমার দিকে তাকিয়ে আছে ! আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-তোমার খুব মজা লাগছে তাই না ?
-হুম ! মজা তো লাগছে ! আমার পাশে এতো চমৎকার একজন মেয়ে বসে আছে আর সেই মেয়েটি একটু ভিত । বারবার মনে হচ্ছে কোন বিপদ হবে নাতো ! আবার সে এটা ভাবছে না খুব বেশি চিন্তার কারন নাই ! আমার পাশে একজন আছে যে সকল বিপদের হাত থেকে আমাকে বাঁচাবে !
নিশি মুখ ভেঙ্গালো আমাকে । তারপর বলল
-জি না !! আমি এসব কিছুই ভাবছি না !

ঐ দিন বিকালে লিয়া এসে হাজির আমার কাছে । পেছনে নিশি ! লিয়া সব সময় একটু উগ্র টাইপের মেয়ে ! কাউকে ঠিক ভয় পায় না ! আমার কাছে এসে বলল
-কি ব্যাপার তুই নিশি কে কি বলেছিস ?
-আমি ?
আমি খুব নিরিহ সাজার চেষ্টা করলাম । একটু হাসলাম । লিয়া বলল
-ঢং করবি না । ভাল করে বল ! কি বলেছিস ?
আমি বললাম
-আমি নিশি কে প্রোপোজ করেছি ! অফিসিয়ালী প্রোপোজ করেছি ! আশ্চর্য ভাল লাগলে বলবো না ?
লিয়া কিছু বলতে গিয়েও বলল না । তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-এর পর থেকে তুই নিশির ধারে কাছে আসবি না !! মনে থাকে যেন !!
আমি নিশির দিকে তাকিয়ে বলল
-আচ্ছা !

ঐ দিন নিশি আর লিয়া যখন চলে যাচ্ছিল আমি ওদের দিকেই তাকিয়ে রইলাম । কেন যেন মনে হল নিশি আমার দিকে ফিরে তাকাবে !! 
কয়েক কদম এগিয়েছে এমন সময় নিশি আমার দিকে ফিরে তাকালো !
হায় !!
কি সেই চোখের দৃষ্টি !!
আমার সেদিনই মনে হল নিশির ঐ ঠোটে .......

নিশি আমাকে এড়িয়ে চলতো ! আমি যেদিকে যেতাম ও সেদিকে যেত না ! কিন্তু আমি ওর পিছু ছাড়লাম না ! আমার সব কাজেই এমন একটা ছায়া থাকতো যে আমি ওকে পছন্দ করি ! ওকে একদিন ফেবুতে ফ্রেন্ড রিকু পাঠালাম । 
ভেবেছিলাম ও গ্রহন করবে না । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম ও আমার ফেবু হয়ে গেল । 
মাঝে মাঝেই ওকে মেসেজ পাঠাতাম । বিভিন্ন কথা বলতাম । কিন্তু ও ঠিক জবাব দিত না । দিলেও কেমন একটা সাধারন ভাব থাকতো ! ভাল আছি !! ভাল নাই এই সব !!

তোমার জন্য এই এনেছি 
ভালবাসার রং 
অনেক হয়েছে, অনেক সয়েছি 
তোমার যত ঢং !
একবারও কি বলবে না তুমি
একটা মাত্র কথা !
দুরে দুরে থাকবে কত 
বাড়াবে বুকের ব্যাথা !
তোমার জন্য বসে আছি 
নিয়ে বুকে চোট !
কবে আসবে ভালবাসা 
আর তোমার মিষ্টি ঠোট !

একদিন এইটা স্টাটাস দিলাম । দেখলাম নিশি নিজেও সেটা লাইক দিয়েছে । ঐদিন ও আমাকে চ্যাটে নকও করলো !
আমাকে বলল 
-আমার এই রকম স্টাটাস দেওয়া ঠিক হয় নি !
আমি বললাম
-কেন ? কি হয়েছে ?
-তোমার ঐ কবিতা পড়ে আমার সব বান্ধবীরা হাসাহাসি করছে !! 
-কেন? খুব কি হাসির কবিতা লিখেছি ?
-দেখ তুমি যে রকম আচরন কর সবাই কিন্তু বুঝে যায় !
-কি বুঝে যায় ?
-বুঝে যায় যে .....।
-যে ????
নিশি কিছুক্ষন কিছু লিখলো না !! আমি লিখলাম
-জানো কষ্ট টা এই খানেই ! যাকে বোঝেতে চাই সেই বোঝে না !!

রিক্সা ভ্রমন আসলেই খুব উপভোগ করছিলাম । বারবার বিরোধী দল কে ধন্যবাদ দিটে লাগলাম !! যদি তারা অবরোধ না দিতো তাহলে তো এই চমৎকার রিক্সা ভ্রমন হত না !!

বিরোধীদল জিন্দাবাদ !! 

কিন্তু একটু বিপদ হয়েই গেল ! রিক্সা যখন আড়ং এর কাছে তখন দেখলাম কিছু পিকেটিং কারী এদিকে আসছে !! তারমনে আসলেই একটু বিপদে পড়তে হল ! রিক্সায়ালা রিক্সা থামিয়ে দৌড় মাড়লো ! আমি কোন মতে নিশির হাত ধরলাম । তারপর ওকে প্রার জোর করেই রিক্সা থেকে নামিয়ে দৌড় দিলাম ! সামনেই আড়ংয়ের সোরূম !! যদিও সাটারটা হাফ নামানো ছিল কিন্তু দেখলাম ওটার ভিরতকার গেট টা খোলা !! কোন মতে সাটার টা খুলে নিশিকে নিয়ে ভিতবে ঢুকে পরলাম !! দেখলাম আরো অনেকই আছে সেখানে !!
রিক্সা থেকে নামার সময় নিশির হাত ধরেছিলাম । এখনও সেটা ছাড়ি নি ! আর একটা জিনিস দেখলাম আমি যেমন নিশির হাত ধরে আছি নিশিও ঠিক তেমনি আমার হাত ধরে আছি ! আমি ওর হাতের চাপ অনুভব করতে পারছি !
কিছুক্ষন পরে আমি বললাম
-আচ্ছা আমি দেখে আসি বাইরে কি অবস্থা !
-না যেতে হবে না ! 
এই কথা বলে নিশি আমার হাতটা আর একটু জোরে চেপে ধরলো ! যেন আমাকে যেতেই দিবে না !!
আমার এটা ভাল লাগলো খুব !!
-আরে বাবা আমি দেখে আছি কি অবস্থা ? সারা দিন তো আর এখানে থাকা যাবে না ! তাই না !
-আমিও আসছি তোমার সাথে !!
নিশি নিজেও বেরিয়ে এল !!!

যখন আড়ং থেকে বের হলাম তখন রাস্তা বেশ পরিস্কার হয়ে গেছে ! আমাদের রিক্সায়ালা কে আসতে দেখলাম ! আবারও আমাদের রিক্সা ভ্রমন শুরু হল ! 
একটা জিনিস আমি লক্ষ্য করলাম নিশি আমার হাতটা ধরেই রেখেছে !!
জীবন টা আসলেই খুব সুন্দর মনে হল !!
এই ভাবে যদি সারা জীবন নিশির হাত ধরে রাখতে পারতাম তাহলে কি চমৎকারই না হত !!!

নিশি যখন নিজের হাতটা সরিয়ে নিতে গেল তখন আমি ওর হাতটা ছেড়ে দিলাম না ! 
নিশি কেবল আমার দিকে তাকালো !! চোখে কিছু একটা জিজ্ঞাসা !!
আমি কেবল বললাম
-আমি কিছুতেই তোমার হাত ছেড়ে দিবো না !! যে কোন পরিস্থিতিই আসুক না কেন !!
নিশি অন্য দিকে তাকালো !!!

রিক্সা চলছে ! বাতাসে নিশির চুল উড়ছে ! আমি ওর দিকে লক্ষ্য করলাম !! ওর ভেজা ঠোট কেমন যেন একটু কাঁপছে ! 
আমার জন্য কি কাঁপছে ?

শুক্রবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৩

শুরু করতে চান অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ****


ইন্টারনেট থেকে ভালো আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগি একটি মাধ্যম হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এই মাধ্যমে আপনি অন্য যেকোনো আয়ের উপায় যেমন অ্যাডসেন্স থেকেও বেশি আয় করতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে প্রথমত আপনি কারো বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা প্রমোট করবেন। এখন কোনো ভিজিটর যদি আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে ঐ পণ্য বা সেবা কিনে থাকেন, তাহলে আপনি একটি নিদ্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন। আপনার মার্চেন্ট অর্থাৎ আপনি যার পণ্য বিক্রি করছেন তিনি আপনাকে পেপাল অথবা অন্য কোনো পেয়িং মেথডের মাধ্যমে আপনার কমিশন পরিশোধ করবেন।

***অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলে***
--------------------------------------------------

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে আপনি দুইভাবে আপনার আয় শুরু করতে পারেন। একটি ব্লগ লিখে, অপরটি একটি নিশ সাইট তৈরি করে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হলে প্রথমত আপনাকে প্রোডাক্ট নিয়ে ভালো মত রিসার্স করে নিতে হবে, এমন পণ্য টার্গেট করতে হবে যেটি ভিজিটররা শুধু পছন্দ করেন এটি নয়, এটি তাদের কেনা প্রয়োজন এমন পণ্য। ইন্টারনেটে বিভিন্ন টুলস, অ্যাফিলিয়েট প্রোড্রাক্ট ডিরেক্টরি, অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি আপনার কাংখিত পণ্যটি বাছাই করতে পারবেন, পাশাপাশি বুঝতে পারবেন বাজারের চাহিদা এবং যেটি ভালো সেলস এনে দিতে সক্ষম। এবার রেডি করতে হবে আপনার এফিলিয়েট সাইটটি, মাথায় রাখতে হবে সাইটটি যাতে এসইও ফ্রেণ্ডলি হয়। পেজ স্ট্রাকচার থেকে শুরু করে সবি যাতে থাকে অনুকূলে। এবার প্রয়োজন মাফিক সেলস পেজ তৈরি করতে হবে। এরপর আপনাকে যেই বিষয়ে ফোকাস করতে হবে তা হচ্ছে আপনার সাইটের ভিজিটরদের উপযোগি পণ্য আপনাকে প্রদর্শণ করতে হবে ও আপনার লেখনির মাধ্যমে ঐ পণ্য কেনায় তাদের উৎসাহিত করতে হবে যাকে আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভাষায় বলে থাকি প্রডাক্ট রিভিউ (Product Review)। তারপর আপনাকে সাইটে ভালো ট্রাফিক আনার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে, ট্রাফিক না থাকলে প্রডাক্ট সেল করবেন কার কাছে !!! আমরা হয়তো অনেকেই জানি ট্রাফিক = টাকা ( Traffic = Money)। যখন আপনার ব্লগ বা সাইটে ভালো ট্রাফিক আসতে শুরু করবে তখন আপনি এই ট্রাফিকগুলোকে sells এ রূপান্তর করতে পারবেন আর আয় হবে হাজার হাজার ডলার। যার মাধ্যমে আপনি আপনার কাংখিত আয় করতে পারবেন। সৌভাগ্যবশত ইন্টারনেট হলো ভিজিটরের জন্য সঠিক পণ্যটি বাজারজাত করার একটি বিশাল তথ্যভান্ডার। এক নজরে দেখে নিন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অভারল প্লানিং গুলো যা আমি সব সময় ফলো করি...

* প্রোডাক্ট রিসার্স (চাহিদা সম্পন্ন প্রফিট এবল পণ্য নির্বাচণ করবেন)
* কিওয়ার্ড রিসার্স (সার্চ ইঞ্জিন থেকে টার্গেটেড ভোক্তা প্রোডাক্ট বেস কিওয়ার্ড নির্বাচন )
* ব্লগ বা ওয়েব সাইট রেডি করা (সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ব্লগ বা ওয়েব সাইট তৈরি করা)
* প্রোডাক্ট রিভিউ লিখা ( কাস্টমারকে পণ্য প্রদর্শণ ও লেখনির মাধ্যমে পণ্য কেনায় উৎসাহিত করতে)
* সাইটে টার্গেট ট্রাফিক আনা (এসইও, এসএমএম etc এর মাধ্যমে টার্গেটেড ট্রাফিক আনার ব্যবস্থা)

***পণ্য নির্বাচণ করবেন যেভাবে***
----------------------------------------

আপনাকে বিশেষ কোনো বিষয় বা ক্রাইটেরিয়ায় পণ্য অ্যাফিলিয়েটের জন্য নির্বাচণ করতে হবে। আপনি যদি ভুল পণ্য বা ক্রেতার চাহিদার বাইরের কোনো পণ্য নির্বাচণ করেন, সেক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিতভাবে ঐ পণ্যটি বিক্রয় করতে অসমর্থ হবেন এবং এমনকি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারেন। কোনো পণ্য প্রমোট করার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে।

* পণ্য অবশ্যই আপনার সাইট সংশ্লিষ্ঠ হতে হবে
* আপনি প্রতিটি পণ্য বা সেবা বিক্রি করে কি পরিমাণ কমিশন পাবেন
* আপনার প্রমোট করা পণ্যটি অবশ্যই কোয়ালিটির দিকে উন্নত হতে হবে
* ভালো ট্রাফিক পাওয়ার উপযোগি পণ্য নির্বাচণ করতে হবে
* মাল্টি লেভেল টিয়ার অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম ব্যবহার করা ভালো
* পণ্য বা সেবা বিক্রিয়ের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি কমিশনের পরিমান বাড়তে থাকে তাহলে সেটাই ভালো।
* একবার বিক্রি হয় এমন পণ্যের চেয়ে যেসব পণ্য বা সেবা (যেমন ডোমেইন, হোস্টিং, একাধিক সংস্করণের ই-বুক প্রমোট করার জন্য) নির্বাচণ করা ভালো।

আপনি কোনো বিষয়ে পণ্য বা সেবা প্রমোট করার জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট ডিরেক্টরি, অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার্স ফোরাম অথবা ঐ পণ্য বা সেবা উৎপাদনকারীর ওয়েব থেকে বিক্রির জন্য পণ্য বা সেবা খুঁজে পেতে পারেন। নিচে অ্যাফিলিয়েট পণ্য খোঁজার জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো।

Click Bank ( www.ClickBank.com )
Commission Junction ( www.cj.com )
Amazon Affiliates (affiliate-program.amazon.com)
E-junkie ( www.e-junkie.com )
AffiliateWindow ( affiliatewindow.com )
Plimus
CPAempire
Google Affiliate Network Program

***কিওয়ার্ড রিসার্স****
-----------------------------

সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে আপনার ব্লগে প্রমোট বা অ্যাফিলিয়েট করা পণ্য বা সেবা সম্পর্কে আপনার প্রকাশিত কনটেন্ট এ ভিজিটর আনতে পরোক্ষভাবে আপনার অ্যাফিলিয়েট পণ্য বিক্রি করতে কিওয়ার্ড রিসার্চ একটি জরুরী বিষয়। একটি প্রিন্সিপাল কিওয়ার্ড ছাড়া সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে আসা মুশকিল। এক্ষেত্রে আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলের মাধ্যমে আপনার পছন্দের পণ্যটির ভবিষৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পেতে পারেন। কিওয়ার্ড রিসার্চের সবচেয়ে প্রধান বিষয় হলো একটি লাভবান কিওয়ার্ড খুঁজে বের করা যেটি সম্পর্কে আপনি ব্লগ বা সাইটের কনটেন্ট ডেভেলপ করবেন। আর এর জন্য একটু ভালো গবেষনা করা প্রয়োজন। কিছু কিওয়ার্ড লিস্ট তৈরি করা প্রয়োজন। এখানে কিওয়ার্ড লিস্ট তৈরি করার কয়েকটি ধাপের কথা উল্লেখ করা হলো-

আপনার পণ্য বা সেবা সংশ্লিষ্ঠ কিওয়ার্ড হতে হবে
ফ্রেজিয়াল সার্চ কিরম হয় সেটাও দেখা জরুরি
কিওয়ার্ডটির অনেক চাহিদা থাকতে হবে বিশেষ করে একশন কিওয়ার্ড
সার্চে ঐ বিষয়ে যত কম রেজাল্ট দেখাবে তত ভালো
কিওয়ার্ডটির কম্পিটীশন কম থাকা বাঞ্চনিয়
সার্চ ইঞ্জিনে প্রতিযোগিতায় অবশ্যই আপনাকে সহজভাবে জিততে হবে।

***ব্লগ বা ওয়েব সাইট রেডি করা***
------------------------------------------

এই পর্যায়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার আগে প্লান করে নিন আপনি কিভাবে এফিলিয়েট করতে চান। ব্লগ লিখে নাকি নিশ সাইট তৈরি করে। সেই অনুযায়ী আপনাকে ব্লগ বা নিশ সাইট রেডি করতে হবে। আসুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য ব্লগ বা নিশ সাইট কি তা জেনে নেই...

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য ব্লগঃ সাধারণত একটি ব্লগ বিভিন্ন ক্যাটাগরি বা বিষয়ে লেখা হয়ে থাকে। কিন্তু যখন আপনি কোনো টপিক নিয়ে লিখবেন সেক্ষেত্রে আপনাকে সংশ্লিষ্ঠ বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ ও গবেষনা করতে হবে। উদাহরণ স্বরুপ আপনি যদি ওয়েব হোস্টিং নিয়ে ব্লগিং করেন, সেক্ষেত্রে আপনি হোস্টিং কোম্পানির সাথে অ্যাফিলিয়েট হিসেবে সাইন-আপ করতে পারেন এবং ওয়েব হোস্টিং নিয়ে আপনার লেখার মধ্যে ঐ কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট লিংকটি বসিয়ে দিতে পারেন। একইভাবে আপনি ওয়েব মার্কেটিং, কিওয়ার্ড রিসার্চ, বিশেষ কোনো দেশে ট্রাভেলিং বা এমন কোনো নিদ্দিষ্ট বিষয়ে লিখতে পারেন। আপনি ব্লগে এই সম্পর্কিত পণ্য বা সেবার রিভিউ লিখতে পারেন, যেটা পড়ে ভিজিটররা আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা কেনার জন্য উৎসাহিত হতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য নিশ সাইটঃ নিশ সাইট তৈরি বা লেখালেখি ব্লগিং থেকে কিছুটা ভিন্ন। এক্ষেত্রে আপনাকে একটি নিদ্দিষ্ট বিষয়ের উপর সাইট তৈরি করতে হবে। উদাহরণস্বরুপ আপনি যদি ল্যাপটপের চার্জার নিয়ে লিখতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাওে এ সাইটের সব কনটেন্ট ল্যাপটপের চার্জার সংশ্লিষ্ঠ কনটেন্ট লিখতে হবে।

***প্রোডাক্ট রিভিউ লিখা***
-------------------------------

এই পর্যায়ে আপ্নাকে আপনার পন্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনার সাইটে রিভিউ লিখতে হবে, আপনাকে জানাতে হবে কেন এই পণ্যটি একজন ক্রেতার জন্য উপযোগী। আপনি কোনো বিষয়ে ব্লগ আর্টিকেল, সাইট কনটেন্ট বা কোনো পণ্য বা সেবার রিভিউ লিখতে লিখে প্রমোট করতে পারেন। অথবা এ সংশ্লিষ্ঠ সেরা সাইটগুলো সম্পর্কে লিখতে পারেন। মোটকথা আপনার টপিকের উপর ভিত্তি করে লেখা হতে হবে, যেটি ভিজিটরদের ঐ পণ্য বা সেবা গ্রহণে আগ্রহী করবে।

***সাইটে টার্গেট ট্রাফিক আনা***
--------------------------------------

ব্লগ বা সাইটে ট্রাফিক আনার ক্ষেত্রে অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যম রয়েছে। সাইটে ট্রাফিক আনার ক্ষেত্রে অনলাইন মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব অনেক। এটি পেইড এবং ফ্রি দুইভাবেই হতে পারে। সুতরাং ট্রাফিক বৃদ্ধির জন্য উল্লেখযোগ্য স্টেপ গুলো নিচে দেখানো হোল...

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন
পিপিসি
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং

আপনি যে মেথডটিই ব্যবহার করেন না কেনো সেটি যথার্থভাবে করতে পারলে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পাওয়া সম্ভব হবে। ট্রাফিক না থাকলে প্রডাক্ট সেল করবেন কার কাছে !!! আমরা হয়তো অনেকেই জানি ট্রাফিক = টাকা ( Traffic = Money)। যখন আপনার ব্লগ বা সাইটে ভালো ট্রাফিক আসতে শুরু করবে তখন আপনি এই ট্রাফিকগুলোকে sells এ রূপান্তর করতে পারবেন আর আয় হবে হাজার হাজার ডলার। যার মাধ্যমে আপনি আপনার কাংখিত আয় করতে পারবেন।প্রতিটি মেথড নিয়েই বিস্তর আলোচনা করা যায়। আশাকরি প্রতিটি বিষয়ে আলাদা লেখা নিয়ে এই ব্লগেই হাজির হবে খুব শিঘ্রই। নিজে নিজে এই মেথডগুলো সম্পর্কে ধারণা পেতে সংশ্লিষ্ঠ বিভিন্ন ব্লগ, বই, গ্রুপ ও ফোরামে যুক্ত হতে পারেন। এক্ষেত্রে ভালো ফলাফল পাবেন আশাকরি।

সোমবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৩

ভুল ধারনা

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ১০টি ভুল ধারনা"""

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন বর্তমানে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। বিভিন্ন সুত্র থেকে যারা এবিষয়ে খোজখবর নিচ্ছেন তারা প্রায়ই কিছু ভুল ধারনার শিকার হন। একাজে হাত দেয়ার আগে ভুল ধারনাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।

##খুব সহজে, বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়

এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন, আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয় করতে হবে।

##ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না

এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা। ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক সহজ গ্রাফিক ডিজাইন বুঝায়, কিংবা আরো সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে একথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু সুযোগও বাড়ানো যায়।

##পেইড-টু-ক্লি (PTC) সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

##ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়

একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই ভাল।
#ক্রেডিট কার্ড বা পে-পল একাউন্ট নেই, ফলে একাজ সম্ভব না কিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব।

##অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি

এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময় সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।

##সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায় কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক ডলার।

##ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই

বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয় সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।

## ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেই অনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে জেনে নেয়াই ভাল।

##ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন

আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা। যে বিষয়ই জানতে চান না কেন, ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য হোন, ফোরামে যোগ দিন, সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ উত্তর দেবেন।

ধন্যবাদ সবাকে, ভাল থাকবেন।

স্বপ্ন বাস্তবায়ন

ওডেস্ক আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চলেছে… আপনি কেন অপেক্ষা করছেন?

প্রাথমিক কথা 

আমি মনে করি ওডেস্ক এমন একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট যেখানে সব ধরণের কাজ রয়েছে। এমন কি আপনি যদি ভাবেন বা মনে করেন আপনি মুভি দেখা ছাড়া আর কিছুই করেন না, আমি বলবো, ওডেস্কে মুভি দেখার জন্যও জব রয়েছে। ঘরে বসে মুভি দেখবেন আর এই মুভি দেখা শেষ হলে জাস্ট ২০০/৩০০ শব্দের একটা রিভিউ লিখে দেবেন। এজন্যও আপনি পেমেন্ট পাবেন।

ওডেস্ক কী?

ওডেস্ক একটি ওয়েবসাইট। যেখানে বিভিন্ন কাজের বিজ্ঞপ্তি দেয়া থাকে এবং আপনি আপনার পছন্দসই কাজ করতে পারেন তাদেরকে নির্দিষ্ট একটা চার্জ দিয়ে। অর্থাৎ ওডেস্ক হলো একটা মিডিয়া। আপনার এবং কাজদাতার মধ্যে পরিচয়, পারস্পরিক লেন-দেন করে দেয়ার একটা মিডিয়া সাইট হলো ওডেস্ক। এরকম সাইট আরও অনেক রয়েছে। তবে ওডেস্ক-ই হলো সর্বেসর্বা বা সর্বশ্রেষ্ঠ।

আমি ওডেস্কে কাজ করার উপযোগী?

হ্যাঁ, আশা করি এটা এতক্ষণে বুঝে গেছেন প্রাথমিক কথাটুকু পড়েই। এমন কোনো কাজ নেই যেটা ওডেস্কে নেই। সব ধরণের কাজ রয়েছে। হয়তো আপনি সারাদিন ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকেন। আপনি হয়তো জানেনও না এই পড়ে থাকাটাই মূল্যবান করে তুলতে পারেন আপনি।

কীভাবে ওডেস্ক থেকে কাজ পাবো?

প্রথমে আপনাকে ওডেস্কে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে কোনো ফি প্রদান করতে হয় না অর্থাৎ সম্পূর্ণ ফ্রি। সুতরাং এখন-ই একটি একাউন্ট ওপেন করতে পারেন। একাউন্ট ওপেন করার পর আপনার একটি প্রোফাইল তৈরি করতে হবে চমৎকারভাবে। কারণ প্রাথমিকভাবে এই প্রোফাইল দেখেই কাজদাতারা আপনাকে কাজ দেবেন। প্রোফাইল ১০০% হলে আপনি কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন যেটাকে ওডেস্কের ভাষায় বলা হয়- বিড করা।

বিড মানে কি?

ব্যাপারটা সহজ করে বলি- কাজদাতা তার কাজটির জন্য ১০০ ডলার বরাদ্দ করেছে। এর বেশি সে দেবে না। এই টাকার মধ্যেই সে কাজটি করাতে চাচ্ছে। আপনি কাজটি ১০০ ডলারেই করবেন নাকি আরও কমে করবেন? সাধারণত সবাই এর কমেই করতে চায়। এই চাওয়াটা কাজদাতাকে জানিয়ে দেয়াটাই হচ্ছে বিড করা। বিড করার সময় একটি কভার লেটার লিখতে হয়। যেখানে আপনি উল্লেখ করবেন সুন্দর করে- কেন কাজদাতা আপনাকে কাজটি দেবেন?

রেডিনেস টেস্ট কী?

ওডেস্ক-এ কাজ করতে হলে কিছু নিয়ম-কানুন মানতে হয়। ওদের নিয়ম-কানুন ভালো করে পড়েছেন কিনা সেটা শিউর হওয়ার জন্য ওরা একটা টেস্ট-এর ব্যবস্থা করেছে। এই টেস্ট দিলে এখানে কাজ করতে সুবিধা। কী সুবিধা? সুবিধা দুটি-
• কাজদাতা খেয়াল করে আপনি এই টেস্ট দিয়েছেন কিনা।
• ওডেস্ক-এ প্রতি সপ্তাহে আপনি সর্বোচ্চ ২৫টি বিড করতে পারবেন। কিন্তু শুরুতেই তা পারবেন না। একাউন্ট ওপেন করার সাথে সাথে মাত্র ২টি বিড করার জন্য প্রতি সপ্তাহে সুযোগ পাবেন। রেডিনেস টেস্ট দিলে ১০টি হবে। কোনো কাজ পেলে ১৫টি হবে। কোনো কাজ শেষ হলে এবং ফিডব্যাক পেলে ২০টি হবে। আপনার এড্রেস ভেরিফাইড হলে ২৫টি হবে।
রেডিনেস টেস্ট দেয়া খুবই সহজ। 

কাজ পাওয়া কি খুব কঠিন?

মোটেও না। একেবারেই কঠিন না। আপনার চেষ্টা, আগ্রহ যদি থাকে এবং আপনি যদি সত্যিই কাজ জানেন তাহলে অবশ্যই কাজ পাবেন। এবং খুব দ্রুত পাবেন। এটা ঠিক, প্রথম কাজটার জন্য আপনাকে একটু পরিশ্রম বেশি-ই করতে হবে। তবে আপনি যদি একটানা ১০ দিন লেগে থাকতে পারেন তাহলে আপনার সাফল্য নিশ্চিত।
বিড করতে করতে হয়রান, কাজ পাচ্ছি না…
আমি বলবো, কথাটা মোটেও ঠিক না। আমি অনেককেই জানি, যারা মাত্র ২/৩ দিন বিড করেই তাদের প্রথম কাজটা পেয়ে গেছে। আপনি হয়রান হবেন না যদি আপনি সত্যিই কাজ করতে চান।
নিজের প্রোফাইলটা দেখুন- এবং নিজেকেই প্রশ্ন করুন- আপনি যদি কাজদাতা হতেন তাহলে আপনার কাজের জন্য এই প্রোফাইলটাকে মনোনীত করতেন কিনা? নিজের কাছে নিজে সৎ থেকে বুঝতে চেষ্টা করুন।

কাজ পাওয়ার কৌশল

বিড করে কাজ পাওয়ার নানা কৌশল আছে। আশা করছি এগুলো আপনাদের কাজে লাগবে, যারা নতুন।

কৌশল-০১
নতুন কাজে বিড করুন। একটা নতুন জব পোস্ট হওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে বিড করতে পারলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কাজদাতা সাধারণত তাকেই সিলেক্ট করে যে সবার আগে বিড করেছে। তবে ব্যতিক্রমও আছে।

কৌশল-০২
এমন কোনো কাজে বিড করবেন না যে কাজের জন্য কাজদাতা কাউকে ইন্টারভিউতে কল করেছে। কারণ সাধারণত কাউকে ইন্টারভিউতে কল করার অর্থ-ই হচ্ছে কাজটা তাকে দিয়ে দেওয়া। সাধারণত এটাই হয়।

কৌশল-০৩
সুন্দর, সিম্পল এবং শর্ট কভার লেটার লিখুন। কাজদাতার রিক্রয়ারমেন্টসগুলো ভালোভাবে পড়ুন। এবং রিপ্লাই করুন পয়েন্ট বাই পয়েন্ট। কেন আপনি এই কাজের উপযোগী, কেন আপনাকে হায়ার করবে সে কথা ক্লিয়ার করে লিখুন। আগে এরকম সাইট করেছেন, যদি স্যাম্পল থাকে তাহলে স্যাম্পল লিংক দিন কভার লেটারে। ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যম ব্যাবহার করবেন না।

কৌশল-০৪
১০০ ডলারের কাজের জন্য বিড করুন ৬০ ডলারের মধ্যে। কেন কম বিড করেছেন সেটা কাজদাতাকে কভার লেটারে লিখুন। বলুন- আপনি নতুন ওডেস্কে। আপনি অনেক কাজ জানেন এবং অভিজ্ঞ। কিন্তু যেহেতু নতুন তাই এই মুহূর্তে আপনার টাকার চেয়ে ভালো কিছু ফিডব্যাক দরকার। তাই কম টাকা বিড করেছেন। দেখবেন সহজেই ইন্টারভিউতে কল পাবেন। ইন্টারভিউতে কল পাওয়ার অর্থ কাজদাতা আপনার কাছে আরও কিছু জানতে চাচ্ছে। যা জানতে চাচ্ছে তা ক্লিয়ার জবাব দিন। বাড়তি কথা বলবেন না। নিজের কাছে নিজে সৎ থাকবেন। এবং বলবেন- আপনি পরিশ্রমী, অভিজ্ঞ এবং সৎ।

কৌশল-০৫
বাংলাদেশ টাইম সকাল ৪টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে বিড করুন। এই সময়ে ওডেস্কে সবচেয়ে বেশি জব পোস্ট হয় এবং বিডকারীর সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকে। এই সময়ে বিড করলে ইন্টারভিউতে দ্রুত কল পাওয়া যায়।

সর্বশেষ কথা

আসলে সর্বশেষ বলতে কোনো কথা নেই। আপনার আগ্রহ, চেষ্টা আপনাকে সাফল্য দেবেই। সুতরাং অপেক্ষায় না থেকে এখনই শুরু করুন। ওডেস্ক বিষয়ক যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন, হেল্প পাবেনই। আরও সাহায্য পেতে ফেসবুকের ওডেস্ক হেল্প গ্রুপে যোগ দিন। এখানে অনেকেই আছেন যারা মাসে হাজার ডলারের বেশি আয় করেন এবং আপনাকে সাহায্য করার জন্য অপেক্ষা করছেন।

ধন্যবাদ সবাকে, ভাল থাকবেন।

Website Block


কম্পিউটারে যে কোন Website Block বা বন্ধ করে রাখুন

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সাইট ভিসিট করে থাকি।কম্পিউটারে ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখাটা তেমন জরুরী না হলেও অনেক সময় এটি অনেকের খুবকাজে আসতে পারে। যেমন ধরুন আপনার কম্পিউটারে বাসার ছোটরাও ইন্টারনেট ব্যবহার করেএবং আপনি চাচ্ছেন তারা যেন ফেসবুকের প্রতি বা অন্য কোন সাইটের প্রতি আসক্ত হয়ে না পড়েতাই নির্দিষ্ট কোন সাইট আপনার কম্পিউটারে বন্ধ করে রাখবেন। কিংবা যারা সাইবার ক্যাফে খুলেবসেছেন তাদের এইটা খুব বেশী কাজে আসতে পারে। সাইবার ক্যাফেতে বিভিন্ন মানুষ কম্পিউটারব্যবহার করে তাই আপনি যেসব ওয়েবসাইট আপনার সাইবার ক্যাফেতে ভিসিট করা থেকেসবাইকে বিরত রাখতে চান সেগুলো আপনার ইচ্ছামত বন্ধ করে রাখতে পারেন।



এবার কাজটি কিভাবে করবেন সেটা বলে দেই। প্রথমে My Computer এ প্রবেশ করুন এখনC:\WINDOWS\system32\drivers\etc এই ফোল্ডারে যান এবং hosts ফাইলটি Notepad এর সাহায্যে ওপেনকরুন। এখন লক্ষ করুন ফাইলটির শেষের দিকে 127.0.0.1 localhost একটি লাইন আছে ওই লাইনটারনিচে 127.0.0.1 http://www.youtube.com উপরের এই লাইনটি যোগ করে দিন অথবা 127.0.0.1 নাম্বারটালিখে একটা স্পেস দিয়ে আপনার ইচ্ছামত যে কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিয়ে ফাইলটি সেভ দিয়েবন্ধ করে দিন। এখন আপনার Block করা সাইটটি ব্রাউজ করে দেখুন ওপেন হবেনা। আবার যদিUnblock বা পূণরায় সাইটটি খুলতে চান তাহলে আগের গিয়ে hosts ফাইলটি ওপেন করে ব্লককৃতওয়েবসাইটটির নাম ডিলেট করে দিয়ে ফাইলটি সেফ করে দিন। [বিঃদ্রঃ প্রতিবার কোন ওয়েব সাইটBlock কিংবা Unblock করার সময় আপনার ব্রাউজার বন্ধ রাখুন তা না হলে দেখা যাবে ব্লক করার পরওসাইটটি খুলে যাচ্ছে কিংবা আনব্লক করার পরও সাইটটি ব্লক হয়ে আছে। কিছু কিছু সময় ব্রাউজারবন্ধ রাখলেও এইরকম সমস্যা হতে পারে এক্ষেত্রে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে আবারসংযোগ দিয়ে কাজ করুন দেখবেন ঠিকভাবে কাজ করবে।]

মাইক্রোওয়ার্কার্স : ঘরে বসে আয়

মাইক্রোওয়ার্কার্স : ঘরে বসে আয়

ডাটা এন্ট্রি কাজ যারা করেন, তারা ভালভাবেই জানেন একটি ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া কতটা কঠিন। কমপিউটারের সাধারণ ব্যবহার জানলেই এ ধরনের কাজ করা যায়। এজন্য প্রায় প্রতিটি মার্কেটপ্লেসে এক একটি ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্ট করতে শত শত আবেদন পড়ে। এদের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট একজনকে বেছে নিতে ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদেরকে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে হয়। প্রথম কাজ পেতে কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় নতুন ফ্রিল্যান্সাররা কিছুদিন বিড করার পর কাজ না পেয়ে শেষে ফ্রিল্যান্সিং করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেন। আজকে যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে সেখানে কাজ করার জন্য কোনো বিড বা আবেদন করতে হয় না। অর্থাৎ ইচ্ছে করলে এই মুহূর্ত থেকে কাজ শুরু করে দেয়া যায়। আর কাজগুলোও খুব সহজ। সাইটটি হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্কার্স : www.microworkers.com।




প্রথম দর্শনেই সাইটটি সহজবোধ্য মনে হবে। মাইক্রোওয়ার্কার্স সাইটের কাজগুলো খুব ছোট ছোট। এক একটি কাজ করতে ৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রতিটি কাজের মূল্য ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১.৭৫ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাইটে প্রতিদিনই নতুন নতুন কাজ আসে। এখানে একটি কাজ মাত্র একবারই করা যায়। মোট আয় ৯ ডলার হলেই চেক, মানিবুকার্স, পেপাল এবং এলার্টপে সার্ভিসের মাধ্যমে উঠানো যায়।
মাইক্রোওয়ার্কার্স সাইটে একজন ফ্রিল্যান্সারকে Worker এবং একজন ক্লায়েন্টকে Employer হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাইটে এ দুই ধরনের ব্যবহারকারী কিভাবে কাজ করে, তা নিচের কার্টুনের মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে।
Worker হিসেবে কাজ শুরু করার আগে প্রথমে সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর মেনু থেকে Available Jobs লিঙ্কে ক্লিক করলে কাজগুলো দেখা যাবে। প্রতিটি কাজের শিরোনামের সাথে কয়েকটি তথ্য পাওয়া যায়- কাজের মূল্য (Payment), শতকরা কতজনের কাজ ক্লায়েন্ট গ্রহণ করেছে (Success Rate), কাজটি করতে আনুমানিক কত মিনিট লাগতে পারে (Time), কতজন এ পর্যন্ত কাজটি করছে (Done) ইত্যাদি। কোনো একটি কাজের শিরোনামের ওপর ক্লিক করে সেই কাজের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এর মধ্যে ‘What is expected from workers?’ অংশ থেকে কাজের বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যাবে। কাজটি যে আপনি যথাযথভাবে শেষ করেছেন, তা প্রমাণ দিতে কী কী তথ্য দিতে হবে, তা ‘Required proof that task was finished?’ অংশের মাধ্যমে জানা যাবে। সবশেষে ‘I accept this job’ লিঙ্কে ক্লিক করে একটি টেক্সটবক্সে আপনার কাজের প্রমাণগুলো দিতে হবে। কোনো কাজ করতে না পারলে ‘Not interested in this job’ লিঙ্কে ক্লিক করে বের হয়ে যাওয়াই ভালো, সেক্ষেত্রে এ কাজটি ‘Available Jobs’ পাতায় আর কখনো দেখাবে না।
কাজের বিভিন্ন ধরন
এবার দেখা যাক, সাইটে কী কী ধরনের কাজ পাওয়া যায় এবং সেগুলোর মূল্য সাধারণত কত হয়।
ক্লিক অ্যান্ড সার্চ (টাকা ০.১০-টাকা ০.১৫) :
এ ক্ষেত্রে তথা গ্রাহক একটি সাইটের লিঙ্ক দেবে, যাতে ভিজিট করে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ দিয়ে সার্চ করতে হবে। সবশেষে ক্লায়েন্টের বর্ণনা অনুযায়ী এক বা একাধিক বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে হবে।
বুকমার্ক এ পেজ (টাকা ০.১০-টাকা ০.২০) :
গ্রাহকের কোনো একটি সাইটকে অন্য একটি সাইটে বুকমার্ক করতে হবে। এ ধরনের বুকমার্ক সাইটের মধ্যে রয়েছে digg.com, delicious.com বা mixx.com, যা ক্লায়েন্ট কাজের বিবরণীতে উল্লেখ করে দেবে। বুকমার্ক করার আগে ওই সাইটে আপনার একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
সাইনআপ (টাকা ০.১০-টাকা ০.২০) :
এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার সময় আপনার ই-মেইল ঠিকানা দিতে হবে। এ ধরনের কাজ করার জন্য নিজের ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা দেয়া ঠিক হবে না। এজন্য পৃথক একটি ই-মেইল অ্যাকাউন্ট খুলে সেটি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা উচিৎ। অন্যথায় স্পাম ই-মেইলের কারণে আপনার দরকারী ই-মেইল খোঁজে পাবেন না।
কমেন্ড অন আদার (টাকা ০.১০ – টাকা ০.১৫) :
এ কাজে গ্রাহকের ওয়েবসাইটে গিয়ে এক বা একাধিক মন্তব্য দিতে হবে। মন্তব্যগুলো সাধারণত দুই-এক লাইনের হবে এবং ওই ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
ফোরাম (টাকা ০.১০ – টাকা ০.১৫) :
এ ধরনের কাজের জন্য কোনো একটি ফোরামে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং Signature হিসেবে ক্লায়েন্টের কোনো ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিতে হবে। এরপর ওই ফোরামের এক বা একাধিক পাতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ মন্তব্য পোস্ট করতে হবে।
ফেসবুক (টাকা ০.১৫ – টাকা ০.২০) :
এ ধরনের কাজের মধ্যে রয়েছে ক্লায়েন্টকে ফেসবুকে বন্ধু হিসেবে নেয়া বা ক্লায়েন্টের ভক্ত হওয়া অথবা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে আপনার Wall-এ পোস্ট করা।
টুইটার (টাকা ০.১৫-টাকা ০.২০) :
এক্ষেত্রে twitter.com-এ একটি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং ক্লায়েন্টের অ্যাকাউন্টকে Follow করতে হবে অথবা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে পোস্ট করতে হবে।
রাইট অ্যান আর্টিকল (টাকা ০.৫০ – টাকা ১.৭৫) :
মাইক্রোওয়ার্কার্সে পাওয়া কাজগুলোর মধ্যে এ ধরনের কাজ অর্থাৎ কোনো বিষয়ে ইংরেজিতে আর্টিকল লিখে সবচেয়ে বেশি আয় করা যায়। লেখাগুলো ৫০ শব্দ থেকে শুরু করে ৫০০ শব্দের মধ্যে হয়ে থাকে। এ ধরনের কাজে একদিকে যেমন ভাষাগত জ্ঞান বাড়ে তেমনি নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। তবে যাদের ইংরেজিতে লেখায় দক্ষতা আছে, তারাই শুধু এ ধরনের কাজ করতে পারে। লেখায় তথ্য সংযোগের জন্য ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে অন্যান্য ওয়েবসাইটের সহায়তা নেয়া যাবে, তবে আপনার লেখাটা অবশ্যই মৌলিক হতে হবে। লেখা মৌলিক হলো কি না, তা www.copyscape.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যাচাই করা যাবে।
ব্লগ/ওয়েবসাইট ওনারস (টাকা ০.২৫-টাকা ০.৮০) :
অনেক সময় শুধু লিখলেই হবে না, লেখাটা আপনার জনপ্রিয় কোনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। এজন্য এধরনের কাজের নামের সাথে PR2+, PR3+, PR4+ ইত্যাদি লেখা দেখতে পাবেন। PR শব্দের মানে হচ্ছে Page Rank, আর PR2+ শব্দের মানে হচ্ছে যেসব ওয়েবসাইটের পেজ র্যাাঙ্ক ২ বা তার অধিক। এটি গুগলের একটি মানদন্ড, যা কোনো ওয়েবসাইট কতটুকু জনপ্রিয় তা নির্ধারণ করতে ব্যবহার করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের পেজ র্যা ঙ্ক কত, তা www.prchecker.info ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যায়। এ ধরনের কাজ শুরু করার আগে www.blogger.com ওয়েবসাইটে গিয়ে বিনামূল্যে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন। প্রথম অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই পেজ র্যা ঙ্ক থাকবে। কিন্তু যদি নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটটিতে বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখেন, তাহলে কয়েক মাস পর পেজ র্যা ঙ্ক বাড়তে থাকবে। লেখার পাশাপাশি ভালো র্যা ঙ্কের কয়েকটি ওয়েবসাইটের সাথে লিঙ্ক বিনিময় করতে পারলে পেজ র্যা।ঙ্ক আরো তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকবে।
ডাউনলোড অ্যান্ড/অর ইনস্টল (টাকা ০.২৫-টাকা ০.৩৫) :
এ কাজে কোনো সফটওয়্যার শুধু ডাউনলোড এবং কোনো কোনো সময় ইনস্টলও করতে হয়।
পোস্ট অ্যান অ্যাড অন ক্র্যায়েজলিস্ট (টাকা ০.২৫-টাকা ০.৭৫) :
www.craigslist.org হচ্ছে শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। এ ধরনের কাজের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের দেয়া কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন craigslist.org সাইটে প্রকাশ করতে হয়। এজন্য আগেই সাইটটিতে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।
অর্থ উত্তোলন
* শুধু ‘Satisfied’ রেটিং পেলেই সে কাজের টাকা আপনার অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সের সাথে যুক্ত হবে।
* চারটি পেমেন্ট পদ্ধতির যে কোনোটিতে টাকা তুলতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হয়। চেকের ক্ষেত্রে ৪.৫০ ডলার, পেপালের ক্ষেত্রে ৬%, মানিবুকার্স এবং এলার্টপে পদ্ধতিতে ৬.৫% ফি দিতে হয়।
* অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স ৯ ডলারের বেশি হলেই শুধু টাকা তুলতে পারবেন। সাথে ফি দেবার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ অ্যাকাউন্টে থাকতে হবে।
* প্রথম Withdraw করার আবেদনের সময় আপনার বাসার ঠিকানায় চিঠির মাধ্যমে একটি PIN নাম্বার পাঠানো হবে। এই নাম্বারটি পরে সাইটে প্রবেশ করাতে হবে। কেউ একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছে কি না, তা যাচাই করতে এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়। PIN নাম্বারের চিঠিটি আসতে ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগতে পারে।
* ঠিকানা যাচাই করার পর পরবর্তী Withdraw আবেদনের ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে মূল্য পরিশোধ করা হবে।
আমাদের দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার ইতোমধ্যে এই সাইটে কাজ করছেন এবং এরা সাইট থেকে নিয়মিত টাকা পাচ্ছেন। তবে একটা বাস্তব সত্য হচ্ছে, এই সাইট থেকে খুব বেশি পরিমাণে আয় করা যায় না। যারা পড়ালেখা বা অন্য কাজের পাশাপাশি ইন্টারনেট থেকে বাড়তি আয় করতে চান, তাদের জন্য এ সাইট অবশ্যই আয়ের একটি ভালো উপায় হতে পারে। এই সাইটের জনপ্রিয়তা এত বেশি যে, ইদানীং এ সাইটকে অনুসরণ করে আরো অনেক ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে www.minuteworkers. com,www.rapidworkers.com, www.minijobz.com ইত্যাদি। তবে সেই সাইটগুলো থেকে মাইক্রোওয়ার্কার্সের মতো আসলেই টাকা পাওয়া যায় কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
Open an Account microworkers :- http://www.microworkers.com/
মানিবুকারস বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অর্থ উত্তোলনের সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতি Open an Account :-https://www.moneybookers.com/

সবাইকে ধন্যবাদ।

Payoneer Master card

আপনারা যারা আউটসোসিং কাজ করেন তাদের প্রতেক উপলদ্ধি করতে পেরেছেন যে একটা ইন্টারন্যাশনাল কার্ড থাকলে কত সুবিধা। আপনার টাকা পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে তুলতে পারবেন। আপনার টাকা আপনার কার্ড দিয়ে আপনি অনলাইনে যে কোন প্রডাক্ট কিনতে পারবেন। ধরুন আপনি
ব্লগষ্পট ব্যবহার করেন আপনি এখন একটা ডোমেইন কিনবেন তাহলে আপনি কার্ড ব্যবাহার করে খুব সহজে কিনতে পারবেন। আর অনলাইন বিজনেস যারা করতে চান তাদের জন্য কার্ড অপরিহার্য। আপনি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইনকাম করতে চান এড এর মাধ্যমে তাহলে আপনি কার্ড ব্যবহার
করতে পারবেন। উদাহারন হিসাবে বলতে চাই যে ইনফোলিংক আপনি ৫০ ডলার হলে পেওনিয়ার কার্ড এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। সুতরাং যাদের এখনো কার্ড নাই তারা এখনই কার্ড এর জন্য apply করুন। কার্ড জন্য apply যে information দিবেন তা ভাল করে লিখে রুখুন বিশেষ করে কার্ড এর মেইল, পাসওয়ার্ড এবং পিন কোড ভালকরে লিখে রাখুন।
তাহলে এখনই শুরু করুন।
click here